ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেয়া এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ‘সম্ভাব্য একটি ভবিষ্যৎ যুদ্ধ আগের সংঘাতের চেয়ে দীর্ঘ হতে পারে এবং আমেরিকান প্রেসিডেন্ট এর সময়সীমা বা সমাপ্তির শর্ত চাপিয়ে দেয়ার মতো অবস্থানে থাকবেন না।’ এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান।
রোববার ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মেহরদাদ আখলাঘিও যেকোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ‘আনুপাতিক, নির্ণায়ক ও প্রভাবশালী’ ব্যবস্থা নেয়ার কড়া সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, যারা হুমকি তৈরি করছে, তারা ইরানের আত্মরক্ষামূলক জবাবে কোনো শর্ত নির্ধারণ করে দিতে পারবে না।
একই দিনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির বক্তব্য পুনরুল্লেখ করে জানান, আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা থাকবে না। শত্রুর ক্ষতিসাধনের জন্য একটি বিশাল ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক সক্ষমতার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস করে দিয়েছে এবং বাকি পারমাণবিক লক্ষ্যবস্তুগুলো নিষ্ক্রিয় করতে মাত্র ১০ মিনিট সময় লাগবে।





